বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতের হস্তক্ষেপ চান সন্তু লারমা! - সিটি২৪বিডি
মঙ্গল. ফেব্রু ১৮, ২০২০

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামে ভারতের হস্তক্ষেপ চান সন্তু লারমা!

এখনও বাস্তবায়ন হয়নি পাহাড়িদের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে গঠিত ‘পার্বত্য শান্তি চুক্তি’, এজন্য ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (পিসিজেএসএস) প্রধান জ্যোতিরিন্দ্র ব্যোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা। ইতিমধ্যেই তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সমর্থন আদায়ে ভারত সফর করছেন।

১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সন্তু লারমার নেতৃত্ব সকল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিগুলো মেনে না নিয়ে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়। ফলে চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া এখনো সমাপ্ত করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

১৯৭২ সালে গঠিত পিসিজেএসএস’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সন্তু লারমার অভিযোগ, ‘সরকার পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে আগ্রহী নয়, তারা বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে।’

আসিফের ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামের ২০তম জন্মদিন আজ ≣ পূর্ণ মেয়াদে অধিনায়কত্ব পেলে পরিকল্পনা সাজাতে সহজ, বললেন মাহমুদউল্লাহ ≣বড়দের পাশাপাশি বানিজ্যমেলার পার্কগুলোতে শিশুদের ভীড়

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, পার্বত্য শান্তি চুক্তি সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়নের জন্য ভারতের সহায়তা চাইছেন। যদিও তিনি ভারতে এসেছেন চিকিৎসার কথা বলে। এর আড়ালে নয়া দিল্লিতে উপস্থিত হয়ে শিগগিরই সরকারি মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন করতে চাইছেন। তার একান্ত বিশ্বাস ভারত সরকারের সমর্থন তিনি পাবেন।

দেশটির শীর্ষ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ‘তামিলদের আরও স্বায়ত্তশাসনের জন্য দেশটির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্য যেভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করেছে, সেভাবে লারমা নয়াদিল্লিকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাইছেন যে, পার্বত্য চট্টগ্রামে একই ভূমিকা ভারত পালন করলে উপকার হবে।’

পিসিজেএসএসের শীর্ষ নেতার বরাত দিয়ে খবরে আরও বলা হয়, পিসিজেএসএস এবং এর সশস্ত্র শাখা শান্তি বাহিনী বিদ্রোহ ছেড়ে দিয়েছিল এবং লারমা ১৯৯৭ সালে শেখ হাসিনা সরকারের সাথে চুক্তিটি বাস্তবায়নের জন্য ভারতের ‘সুস্পষ্ট আশ্বাস’ গ্রহণ করে স্বাক্ষর করে। তবে ২০০০-০৬ সালে হাসিনার উত্তরসূরি সরকার অ্যাকর্ডকে হ্রাস করে দিয়েছিল এবং সেনাবাহিনীকে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চল পরিচালনা করার জন্য কার্যকর ক্ষমতা প্রদান করেছিল। এরপর ফের হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরও এই অঞ্চলে বেসামরিক নিয়ন্ত্রণ ক্ষেত্রে পুনর্বিবেচনা করেননি এবং এই বিষয়ে তিনি সেনাবাহিনীকে হতাশ করতে চাননি।’এদিকে বসতি স্থাপনকারীরা এখন সিএইচটি-র জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেকের কাছাকাছি। কিন্তু আদিবাসী উপজাতি লোকেরা জমি ও জীবিকার ক্ষতি আশংকায় এ মুহূর্তে ক্রমশ অস্থির হয়ে উঠছে।

চিটাগং হিল ট্রাকটস (সিএইচটি) ইস্যু নিয়েই লারমা ভারতের দুই সরকারি উচ্চপদস্থ আধিকারিকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাইছেন। এবং তিনি যথেষ্ট আশাবাদী মোদি সরকারের ওপর যে সিএইচটি চুক্তি সম্পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য ভারত, বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে বোঝাপড়া করবে, যেভাবে তামিল ইস্যু নিয়ে শ্রীলঙ্কাকে করছে।
ব্রেকিংনিউজ