ঢাকায় সুষ্ঠু অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বার্তা! - সিটি নিউজ
বুধ. এপ্রি ১, ২০২০

ঢাকায় সুষ্ঠু অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের বার্তা!

ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেখতে চায় ব্রিটিশ সরকার। ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন বলেছেন, ‘ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ব্রিটিশ সরকার চায় অবাধ অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচনটি সম্পন্ন হোক।’

ঢাকা উত্তর সিটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত ৭টা ৫৫ মিনিটে বনানীতে তাবিথ আউয়ালের নির্বাচনী অফিসে শুরু হওয়া এ বৈঠক শেষ হয় পৌনে ৯টার দিকে।বৈঠক শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন ব্রিটিশ হাইকমিশনার। সাংবাদিকদের তিনি জানান, এ নির্বাচন নিয়ে তিনি ইতোমধ্যে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও নির্বাচন কমিশনের সাথে আলোচনা করছেন।

এসময় বৈঠক প্রসঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটির মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল জানান, ‘হাইকমিশনার এই নির্বাচন নিয়ে তার সরকারের অবস্থান সম্পর্কে আলোচনা করেন। তারা বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আশাবাদও ব্যক্ত করেন।ইভিএম প্রসঙ্গে আলোচনার বিষয়ে তাবিথ আউয়াল বলেন, ‘ইভিএম নিয়ে আমরা ইসিকে যা বলেছি তা হাইকমিশনারকে জানানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের বক্তব্য পরিষ্কার। আমাদের যুক্তি, অভিযোগ যা নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছি জাস্ট তাই হুবহু উনাদের ইনফরম করেছি। উনাদের সাথে আমাদের মতবিনিময় হয় নাই। আমাদের কোনও অভিযোগও নাই। আমাদের ইভিএম সংক্রান্ত সকল অভিযোগ, মতবিনিময় সব নির্বাচন কমিশনের সাথে।’

তাবিথ বলেন, ‘ভোটাররা ইভিএম সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারছে না। প্রিজাইডিং অফিসার অপারেট করতে পারে না। সেই সেগুলো আমরা রিপিট করেছি নির্বাচন কমিশনকে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল যা দুই দফা নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছে।’এদিকে বৈঠক সূত্র জানায়, রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন তাবিথের নির্বাচনী প্রচারণার পরিস্থিতি জানতে চাইলে তার উপর হামলার তথ্য সহ সব ডকুমেনন্ট তুলে ধরা হয়। এবং নির্বাচনের আগে বাকি দিনগুলো যেনো নিবিঘ্নে প্রচারণা চালাতে পারেন এবং এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগের অনুরোধ জানান।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, বিএনপির উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু, সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, বিএনপি নেতা সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল, আলী নেওয়াজ মোহাম্মদ খৈয়ুম, সেলিম ভূইয়া,জেবা খান, সুলতানা আহম্মেদ। এছাড়া ব্রিটিশ হাইকমিশন অফিসের দুইজন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।