৪র্থ শ্রে’ণির ছা’ত্রীকে ২০ টাকা দিয়ে প্রতিদিন ধ’র্ষণ! বিস্তারিত পড়ুন  

0
57

ভু’ক্তভো’গী ওই শিশু জানায়, সোহেল তাকে ঈদের পর থেকে নিয়মিতভাবে ভয়ভী’তি দেখিয়ে ধ’র্ষণ করে আসছে। কারও কাছে বললে মে’রে ফেলারও হু’মকি দিতোকুমিল্লার দেবিদ্বারে ১১ বছরের এক মাদ্রাসা ছাত্রী ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগে মো. সোহেল (২৪) নামের এক সিএনজি অটোরিকশা চালককে আ’টক করেছে থানা পু’লিশ। মঙ্গলবার তাকে গ্রে’প্তার করা হয়।সোহেল এলাহাবাদ ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গ্রামের বলাগাজীর বাড়ির শফিকুল ইসলামের ছেলে। ধ’র্ষিত শিশু (১১) মোহাম্মদপুর আলিম মাদ্রাসার ৪র্থ শ্রেণির ছাত্রী। মঙ্গলবার বিকালে ওই শিশুর মা বা’দী হয়ে একটি মা’মলা দায়ের করেন।

মা’মলার এ’জহারে জানা যায়, ৮ জুন ওই শিশুকে ২০ টাকা দেওয়ার কথা বলে সোহেল তার খালি ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে ওই শিশুকে ধ’র্ষণ করে তার হাতে ২০ টাকা দিয়ে বলে কারও কাছে যেন এ ঘটনা না বলে, আর বললে প্রাণে মে’রে ফেলবে। এতদিন ওই শিশু প্রা’ণের ভ’য়ে কারও কাছে না বললেও মঙ্গলবার সকালে ফের ওই শিশুকে একই কায়দায় ধ’র্ষণ করলে মেয়েটি মায়ের কাছে এ ঘটনা খুলে বলে। তারপর ঘটনা প্রকা’শ্যে আসে।ভু’ক্তভো’গী ওই শিশুর মা জানান, সোহেল আমার মেয়েকে ভ’য় দেখিয়ে নিয়মিত ধ’র্ষ’ণ করতো। মেয়ে এতোদিন ভয়ে কিছু বলেনি।

সকালে আমার মেয়ে অসু’স্থবোধ করলে আমি তার কারণ জিজ্ঞাসা করি। পরে আমার মেয়ে এ ধ’র্ষণের ঘটনা খুলে বললে আমি এলাকার মানুষের সহযোগিতায় থা’নায় জানাই।দেবিদ্বার থানার ওসি মো. জহিরুল আনোয়ার জানান, শিশুটিকে উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অ’ভিযুক্ত সোহেলকে আ’টক করা হয়েছে। আরো পড়ুন ছাত্রলীগ নেতা বিবাহিত কলেজছাত্রীকে নিয়মিত ধ’র্ষণ করতো শালিকে হাত-পা বেঁ’ধে দু’লাভাইয়ের ধ’র্ষণ সাভারের কাতলাপুরে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধ’র্ষ’ণের অ’ভিযোগ উঠেছে তার খালাতো দুলাভাইয়ের বি’রুদ্ধে। এ ঘটনায় অ’ভিযুক্ত মিলন হোসেনকে আ’ট’ক করেছে পু’লিশ। গত সোমবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। ওই ছাত্রীকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।আ’ট’ক মিলন পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা।

তিনি সাভারের কাতলাপুরে একটি বাসায় ভাড়া থাকেন। তার বাড়ি কুড়িগ্রাম জে’লায়। সাভার মডেল থা’না পু’লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মক’র্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানান, বিকেলে ওই স্কুলছাত্রী পার্শ্ববর্তী এলাকায় তার খালাতো বোনের বাসায় যায়।বাসায় কেউ না থাকায় তাকে হা’ত-পা বেঁ’ধে ধ’র্ষ’ণ করে মিলন।পরে ওই ছাত্রী চি’ৎকার শুরু করলে আশপাশের মানুষ ছুটে আসে। এ সময় স্থানীয়রা মিলনকে আ’ট’কে রেখে থা’নায় জানালে পু’লিশ গিয়ে মিলনকে আ’ট’ক করে। এ ঘটনায় মা’ম’লা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আরো পড়ুন পু’লিশের অভি’যানে গেস্ট হাউস থেকে ৬৭ যুবতী উ’দ্ধার! নারীকে ব্যবহার করে পাতা ফাঁ’দ বা বারে অ’ভিযান চালিয়ে পু’লিশ ও অন্যান্য কর্মক’র্তারা ৬৭ যুবতী ও অল্প সংখ্যক যুবককে উ’দ্ধা’র করেছে। মধ্যপ্রদেশে নারীদের ব্যবহার করে পাতা ‘হানি ট্রা’প’ ঘটনায় জ’ড়িত থাকার অ’ভিযোগ আছে ইন্দোর-ভিত্তিক একজন ব্যবসায়ীর।তার নাম জিতেন্দর সোনি। তিনি স্থানীয় একটি পত্রিকার মালিক। তার একটি নাইট ক্লাব ও অন্যান্য স্থাপনা থেকে ওইসব যুবতী ও যুবকদের উ’দ্ধা’র করে পু’লিশ। এসব যুবক-যুবতী সেখানে বার ড্যান্সার হিসেবে কাজ করতো। শনিবার রাতে জিতেন্দর সোনির বাসভবন ও অন্যান্য স্থাপনায় অ’ভিযান চালায় পু’লিশের একটি টিম।

তারা সেখানে থেকে উ’দ্ধা’র করে ওই যুবতীদের। তাদেরকে একটি আশ্রয়ে রাখা হয়েছে এবং তাদের বক্তব্য রেকর্ড করেছে পু’লিশ। পু’লিশের মতে, এসব যুবতীর বেশির ভাগই আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের। তাদেরকে গীতা ভবন ক্রসিংয়ে জিতেন্দর সোনি পরিচালিত বার ‘মাই হোম’-এ রাখা হয়েছিল খুব নাজুক পরিবেশে। এসব যুবতীকে বার-এ নাচতে বা’ধ্য করা হতো। কাস্টমা’ররা যে অর্থ দিতেন তার থেকে সামান্য অংশই পেতেন ওই যুবতীরা।সিনিয়র এসপি রুচি বর্ধন মিশ্র বলেছেন, অ’ভিযুক্ত জিতেন্দর সোনি পলাতক রয়েছেন। তার ছেলে অমিত সোনিকে গ্রে’প্তার করা হয়েছে। যুবতীদের আ’ট’কে রেখে এভাবে ব্যবসা করায় অমিত সোনির ভূমিকার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে পু’লিশ।মধ্যপ্রদেশে হানি ট্রা’প চ’ক্রের সঙ্গে প্রভাবশালী রাজনীতিক ও আমলাদের জ’ড়িত থাকার একটি অডিও-ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করে তার স্থানীয় পত্রিকা ‘সাঞ্ঝা লোকস্বামী’। এরপরই পু’লিশ তৎপর হয়। জিতেন্দর সোনির অফিসে এভাবে ত’ল্লা’শির নি’ন্দা জানিয়েছে ইন্দোর প্রেসক্লাব ও সাংবাদিকদের অন্য সংগঠনগুলো