১২ হাজার টাকা দাবি হিজড়াদের না দেওয়ায় কোলে নিয়ে নাচ’ অতঃপর শিশুর মৃ`ত্যু - সিটি২৪বিডি
মঙ্গল. ফেব্রু ১৮, ২০২০

১২ হাজার টাকা দাবি হিজড়াদের না দেওয়ায় কোলে নিয়ে নাচ’ অতঃপর শিশুর মৃ`ত্যু

যমজ ছেলে সন্তানের খবর পেয়ে একদল হিজড়া বাড়িতে হানা দেয় এবং ১২ হাজার টাকা বকশিশ দাবি করে। দর কষাকষির পর হিজড়ারা একটি শিশুকে কোলে নিয়ে নাচতে শুরু করে। নাচের মধ্যে হঠাৎ শিশুটি মা`রা যায়। ঘ`টনাটি শুক্রবার ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঝাড়গ্রাম জেলার বিনপুর থানার শিলদায় ঘটেছে।

এ ঘটনায় মৃ`ত শিশুর বাবা থানায় অ`ভিযোগ দেয়ার পর তিন হিজড়াকে গ্রে`ফতার করেছে পু`লিশ।আনন্দবাজার পত্রিকার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শিলদার বাসিন্দা গাড়িচালক চন্দন খিলারের স্ত্রী তনিমা ৪ ডিসেম্বর ঝাড়গ্রাম জেলা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে যমজ ছেলে সন্তান জন্ম দেন। বড় ছেলের নাম রাখা হয় সুমন, ছোটটির নাম শোভন। তবে জন্মের পরই সুমনের হৃদয`ন্ত্রে স`মস্যা ধরা পড়ে।চন্দনের অভিযোগ, ওই তিন হিজড়া এমন অশালীন আচরণ করছিলেন যে বাধ্য হয়ে টাকা দিতে রাজি হই।

দুই হাজার টাকা নগদ দিয়ে বাকি টাকা পরে দিব বলেছিলাম।চন্দন বলেন, সুমনকে কোলে নিয়ে একজন হিজড়া এক পাক ঘুরতেই ওর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। প্রথমে শিলদা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, সেখান থেকে ঝাড়গ্রাম সুপার স্পেশালিটিতে আনা হয়। তবু আমার ছেলেটিকে বাঁচানো গেল না।

আরও পড়ুনঃবিশ্বাসে মিলায় বস্তু, তর্কে বহু দূর’। বিশ্বাসের তেমনি এক নজির সৃষ্টি করেছে এক গ্রামবাসী। কখনো কি শুনেছেন? দোকান খোলা আছে আবার বেচা বিক্রিও চলছে। তবে নেই কোনো বিক্রেতা। অবাক হচ্ছেন নিশ্চয়? এভাবে চললে তো দোকানদারের ব্যবসা লাটে উঠবে! তবে ভারতের মিজোরাম রাজ্যের সেলিং গ্রামে এবং তার আশেপাশে বসবাসকারী সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা একেবারেই ভিন্ন।

সেখানে দোকানদার ছাড়াই চলে দোকান। গ্রামবাসীরা দোকান চালাতে বাড়তি শ্রম এবং সময় নষ্ট না করে। দোকানের সামনেই স্থানীয় কৃষকরা বাঁশ ও কাঠের তৈরি টেবিলের উপর পণ্যের পসরা সাজিয়ে তার উপর মূল্য লিখে রাখা হয়। সেইসঙ্গে অর্থ পরিষোধের জন্য একটি প্লাস্টিকের বোতল বা কৌটাও রাখা হয় ।