৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অন্তঃস’ত্ত্বা, মাদ্রাসা সুপার অভিযু’ক্ত - সিটি২৪বিডি
মঙ্গল. ফেব্রু ১৮, ২০২০

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অন্তঃস’ত্ত্বা, মাদ্রাসা সুপার অভিযু’ক্ত

৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অন্তঃস’ত্ত্বা, মাদ্রাসা সুপার অভিযু’ক্ত

নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার রোয়াইলবাড়ী কওমী মহিলা মাদ্রাসার সুপার কর্তৃক ধ র্ষ’ণের শিকা’র হয়ে ৫ম শ্রেণির এক শিশু শিক্ষার্থী অন্তঃস’ত্ত্বা হয়ে পড়েছে। সুচতুর মাদ্রাসা সুপার সু-কৌশলে শিক্ষার্থীটিকে কবিরাজী ঔষধ খাওয়ায়ে গর্ভপা’ত ঘটা’তে গেলে অধিক র’ক্ত ক্ষ’র’ণের ফলে ঐ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে বর্তমানে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। নেত্রকোনা আধুনিক হাসপাতালের ওসিসি সূত্র ও অভিযোগকা’রীরা জানান, রোয়াইলবাড়ী ইউনিয়নের চর আমতলা গ্রামের কোনাপাড়ার ফারুক মিয়ার ছেলে আঃ হালিম সাগর কয়েক বছর আগে রোয়াইলবাড়ী বাজার সংলগ্ন একটি কওমী মহিলা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করে সেখানে সুপারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

শিশুটি রোয়াইলবাড়ী কওমী মহিলা মাদ্রাসায় ৫ম শ্রেণিতে পড়তো। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সুপার ২ সন্তানের জনক আঃ হালিম সাগর (৩৫) প্রায় চার মাস ধরে শিশু শিক্ষার্থীকে ধ র্ষ’ণ করে আসছে। বিষয়টি কাউকে বললে প্রা’ণে মে’রে ফেলার হুম’কি দেয়ায় শিশুটি ভ’য়ে কাউকে কিছু বলতে পারেনি। শিশু শিক্ষার্থীটি তিন মাসের অন্তঃস্ব’ত্ত্বা হয়ে পড়লে মাদ্রাসা সুপার গত শনিবার শিশুটিকে কবিরাজী ঔষধ কলা খাওয়ায়ে তার গর্ভপাত ঘাঁ’নো’র চেষ্টা করে। অধিক র’ক্ষক্ষর’ণ শুরু হওয়ায় শিক্ষার্থীটিকে প্রথমে পাশ্ববর্তী কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে যায় ও পরে গত রবিবার রাতে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে এনে ভর্তি করা হয়। শিশুটির মা গত চার বছর পূর্বে মা’রা যাওয়ায় বাবা ও বড় বোনই তাকে লালন পালন করে আসছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষার্থীর বাবা ন্যা’য় বিচা’র প্রার্থণা করে রবিবার কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতলের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. একরামুল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তারা শিশু শিক্ষার্থীকে সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন। তার শারিরীক অবস্থা আগের চেয়ে ভালোর দিকে। কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় অভিযুক্ত মাদ্রাসা সুপার স্বপরিবারে গাঁ ঢাকা দিয়েছে। তাকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।